আজ শুক্রবার সিলভার স্ক্রিনে মুক্তি
পাচ্ছে ‘চার্লিস অ্যাঞ্জেলস’

১৯৭৬ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত ‘চার্লিস অ্যাঞ্জেলস’ ছিল টেলিভিশনের জনপ্রিয় সিরিজ। ২০০০ সালে এটি বড় পর্দায় উঠে আসে। ২০০৩ সালে আসে সিক্যুয়েল ‘চার্লিস অ্যাঞ্জেলস: ফুল থ্রটল’। মাঝে ১৬ বছরের দীর্ঘ বিরতি ভেঙে আবারো বড় পর্দায় আসছে অ্যাকশন, অ্যাডভেঞ্চার ও কমেডিধর্মী চলচ্চিত্র ‘চার্লিস অ্যাঞ্জেলস’। এবার আসছে এর তৃতীয় কিস্তি। আজ শুক্রবার ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ারের দিনে নগরীর সিলভার স্ক্রিনেও মুক্তি পাচ্ছে চলচ্চিত্রটি।
সেই ২০০০ সালের কথা। সেসময় চার্লিস অ্যাঞ্জেলস ছবিতে অভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া ড্রিউ ব্যারিমোর, ক্যামেরন ডিয়াজ ও লুসি লিউ। এখন সেই তিন সুন্দরীর ওপরই পড়েছে বয়সের ছাপ। তাই তাঁদের স্থান দখল করেছেন এ সময়ের গ্ল্যামারাস তিন তারকা। এবার দুর্ধর্ষ এই তিন সুন্দরীর ভূমিকায় অভিনয় করেন ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট, নওমি স্কট ও এলা বালিন্সকা। এটি পরিচালনা করেছেন মেধাবী অভিনেত্রী ও পরিচালক এলিজাবেথ ব্যাংকস।
নতুন অ্যাকশনধর্মী সিনেমাটি চার্লিজ অ্যাঞ্জেলসের পুনরুজ্জীবনের গল্প নয়, বরং তা পূর্বের দুটি সিনেমা ও টিভি সিরিজের কাহিনীর ধারাবাহিকতা ধরেই সামনে এগিয়ে যাবে। তবে এবার ব্যাংকস পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন অস্ত্রের ঝনঝনানি।
এ সিনেমায় দেখা যাবে এখন থেকে ৪০ বছর আগে তিনজন অ্যাঞ্জেলকে নিয়ে চার্লিজ যে টাউনসেন্ড এজেন্সি শুরু করেছিলেন, তা বিশ্বব্যাপী গুপ্তচর কর্মসূচিতে রূপ নিয়েছে। সংস্থাটির চালিকাশক্তি হিসেবে রয়েছে সাহসী ও অদম্য নারী গুপ্তচররা। চার্লিজ ও তার অ্যাঞ্জেলরা সবসময় ব্যক্তিগত ক্লায়েন্টদের নিরাপত্তা দিয়ে আসছেন ও তদন্ত করছেন। এর মধ্যে হুট করেই একজন তরুণ প্রকৌশলী এমন এক প্রযুক্তির কথা ফাঁস করে দেয়, যা পুরো পৃথিবীকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। পৃথিবীর মানুষকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে চার্লির তিনজন সাহসী সৈনিক। টাউনসেন্ড সংস্থা বিশ্বব্যাপী স্মার্ট, নির্ভীক ও প্রশিক্ষিত নারীদের দল গোটা বিশ্বেই ছড়িয়ে রয়েছে। বিশ্বের কঠিন মিশনগুলো সম্পন্ন করছে এই অ্যাঞ্জেলসের দল।
অভিনেত্রী ও পরিচালক এলিজাবেথ ব্যাংকস বলেন, দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণের সব আয়োজনই আছে এতে। তাই দর্শকরা তাকে হতাশ করবেন না বলে বিশ্বাস তার। তিনি বলেন, ‘নারী চরিত্রকেও ক্ষমতা ও শক্তির উৎস হিসেবে দেখানো যেতে পারে। এটা সত্তরের দশকে চার্লিস অ্যাঞ্জেলস টিভি সিরিজ দেখে শিখেছিলাম। নতুন চার্লিস অ্যাঞ্জেলস-এর সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি খুব রোমাঞ্চিত।’ এ ছাড়া অভিনয় করেছেন নোয়া সেন্টিনিও, স্যাম ক্ল্যাফলিন ও প্যাট্রিক স্টুয়ার্ট।
এছাড়াও সিলভার স্ক্রিনে থাকছে দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনীত সিনেমা ‘কণ্ঠ’, হলিউডের অ্যাকশন, অ্যাডভেঞ্চার ও সায়েন্সফিকশনধর্মী চলচ্চিত্র ‘টার্মিনেটর: ডার্ক ফেট’ এবং বহুল জনপ্রিয় ওয়ার্ল্ড রেটিংয়ে শীর্ষে থাকা ক্রাইম ও থ্রিলারধর্মী চলচ্চিত্র ‘জোকার’।
সিলভার স্ক্রিন সিনেপ্লেক্স নগরীর ষোলশহর এলাকা ফিনলে স্কয়ার শপিং মলের ৭ম তলায় অবস্থিত। টিকেট এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৭০১-৪৪৯৯৫৫ নম্বরে।

Related Article